যে বিশেষ এক্স রের মাধ্যমে টিউব দেখা হয় তাকে বলা হয় হিস্টেরোসালফিনগোগ্রাফী। টিউব গুলো

দুইটাই বন্ধ হয়ে গেলে টেস্ট টিউব পদ্ধতি তে যেতে হয় যা ব্যায় বহুল এবং সাকসেস রেট ৩৫ ভাগের বেশি না। ফলে অনেকসময় বার বার করতে হতে পারে যা অনেক রুগীর পক্ষেই সম্ভব হয় না।

হিস্টেরোসালফিনগোগ্রাফী তে বন্ধ টিউব গুলো অনেক সময় ল্যাপারোস্কোপির মাধ্যমে খোলা সম্ভব হয় আবার কখনো ল্যাপারোস্কোপিও টিউব খুলতে ব্যার্থ হয়।


হিস্টেরোস্কোপিক টিউবাল কানুল্যাশন এইসব রুগীদের জন্য একটি কার্যকরী পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে দুইটি এন্ডোস্কোপিক ইউনিট এর প্রয়োজন হয়।

ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে অবডোমিনাল রুটে টিউব গুলো কে ম্যানিপুলেশন করা হয়। একই সাথে একটি বিশেষ এন্ডোস্কোপ যার মাধ্যমে জরায়ু বা ইউটেরাস এর মধ্যে দেখা হয় সেই হিস্টেরোস্কপে প্রবেশ করানো হয়।হিস্টেরোস্কোপে এর অপারেটিভ চ্যানেল এর মাধ্যমে বিশেষ কানুল্যাশন ওয়ার ডাইরেক্ট ভিজ্যুয়াল গাইডেন্স এ প্রবেশ করানো হয় এবং টিউব এর বন্ধ অংশ টুকু খুলে ফেলা হয়।

এখানে উল্লেখ্য যে প্রক্সিমাল টিউবাল ব্লক থাকলেই কেবলমাত্র এই পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। টিউব এর পুরো অংশ বন্ধ থাকলে বা ক্ষতিগ্রস্থ হলে তা কার্যকর হয় না।

তবে আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশে যেখানে অনেক রুগী বার বার টেস্ট টিউব পদ্ধতি তে চিকিৎসার ব্যায়ভার বহন করতে পারে না, সেই ক্ষেত্রে হিস্টেরোস্কোপিক টিউবাল কানুল্যাশন ইন বাই ল্যাটেরাল টিউবাল ব্লকেজ হতে পারে তাদের একমাত্র আশা ও একটি কার্যকরী পদ্ধতি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.